২০১৪ সালের ১৯ জুন এক সঙ্গে ৩৭টি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাশূন্যে স্থাপন করেছিলো দেশটি। তার আগে ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মিন্তর-১ রকেট এক সঙ্গে ২০ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাশূন্যে স্থাপন করেছিল। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। ভারত ২০১৭ সালে ১৫ জানুয়ারি মহাকাশে পিএসএলভির আধুনিক ভার্সনের রকেট উৎক্ষেপণ করবে। এই রকেট ৮২ বিদেশি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে সঙ্গে করে নিয়ে যাবে। ৫৮০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করার পর এটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে ২০ থেকে ২৫ মিনিট অন্তর অন্তর কৃত্রিম উপগ্রহগুলো স্থাপন করবে। এসব কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে ৬০টি যুক্তরাষ্ট্রের, ২০ ইউরোপের, ২টি ব্রিটেনের। উৎক্ষেপণ সফল হলে ভারত মহাকাশে উপগ্রহ স্থাপনে বিশ্ব রেকর্ডের অধিকারী হবে।

প্রকাশিত : শনিবার ২৯শে অক্টোবর ২০১৬ সকাল ১১:৫৪:০৪

খ্রিষ্টানরা বিশ্বাস করেন, জেসাস ক্রাইস্টকে সমাধিস্থ করা হয় একটি তাক বা বিছানার মতো পাথরে শুইয়ে। চুনাপাথরের একটি গুহায় তাকে সমাধিস্থ করা হয়। রোমানরা যীশুকে ক্রুশে বিদ্ধ করার পর ৩০ বা সম্ভবত ৩৩ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সমাধিস্থ করে। বিশ্বাস করা হয়, মৃত্যুর পর তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে এক নারী আসেন। তিন দিন পার যীশুর দেহ আবারো তোলা হয়। সেই নারীর কোনো চিহ্ন আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। খ্রিষ্টের সমাধি পরে 'এডিকিউল' দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এর অর্থ ছোট ঘর। এডিকিউলের শেষবার সংস্কার করা হয়েছিল ১৮০৮-১৮১০ সালের মধ্যে। আগুনে পুড়ি গিয়েছিল সমাধির ঘরটি। সেই এডিকিউল এবং এর ভেতরের ডিজাইন সংরক্ষণের কাজ করে যাচ্ছেন ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব এথেন্সের চিফ সায়েন্টিফিক সুপারভাইজার প্রফেসর অ্যান্টোনিয়া মরোপলু। যীশুর সমাধিস্থল উন্মোচনের মাধ্যমে তার বিউরিয়াল বেড নিয়ে গবেষণার সুযোগ মিললো। এটাকে খ্রিষ্টান সবচেয়ে পবিত্র স্থান বলে গণ্য করা হয়। এটা নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে কেবল সমাধিস্থল সম্পর্কেই জানা যাবে তা নয়, জানা যাবে হেলেনা সম্পর্কে। তিনি ছিলেন রোমান সাম্রাজ্যের কনস্টেনটাইন যিনি ৩২৬ খ্রিষ্টাব্দে এই সমাধি আবিষ্কার করেন।

প্রকাশিত : শনিবার ২৯শে অক্টোবর ২০১৬ রাত ০২:৩৩:১৮

মানুষের মস্তিষ্কের রহস্য আজও পুরোপুরি জানা যায়নি৷ সেই মস্তিষ্কের কাজ নকল করার চেষ্টা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা তার জটিল কাঠামো সম্পর্কে আরেও জ্ঞান অর্জন করছেন৷ বিশেষ করে অনুভূতি নকল করা বড় এক চ্যালেঞ্জ৷ একটি রোবট তার অনুভূতি দেখাতে চায়৷ সে নাকি খুশি হতে পারে, লাজুক হতে পারে৷ রোবটের মধ্যে কি অনুভূতি ও সচেতনতা ভরে দেওয়া সম্ভব? সেই স্বপ্ন বাস্তব করতে হলে বিজ্ঞানীদের প্রয়োজন এমন এক কনট্রোল সেন্টার, যার ভিত্তি হবে মানুষের মস্তিষ্ক৷ অসাধারণ এক প্রকল্পের মাধ্যমে মস্তিষ্কের কাজকর্ম বোঝা ও কম্পিউটারে তা নকল করার চেষ্টা চলছে৷ মিউনিখের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোইস ক্নল ইউরোপের অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মতো মানুষের মস্তিষ্কের রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করছেন৷

প্রকাশিত : সোমবার ২৪শে অক্টোবর ২০১৬ বিকাল ০৩:০৬:৩২

শত্রুর চোখ ফাঁকি দিতে মানুষের কাছে রয়েছে নানা কৌশল আর প্রযুক্তি। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে একদিকে যেমন মানুষ তার শত্রুর উপস্থিতি টের পায়, তেমনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে হটিয়ে দেয় শত্রুকে। বিমান শনাক্তকারী রাডারের কথাই ধরা যাক: শত্রুপক্ষের বিমান নিজের আকাশসীমায় প্রবেশের সাথে সাথেই তা শনাক্ত করতে পারে ওই রাডার। তবে শত্রুকে শনাক্ত করার এই প্রযুক্তিটি শুধু মানুষই ব্যবহার করে না। ব্যবহার করে প্রজাপতিরাও। তাদের পদ্ধতিটা অবশ্য একটু ‍ভিন্ন। বলা যায়, ‘প্রাকৃতিক প্রযুক্তি’। ‘ইস্টার্ন ফোবি’ নামের পতঙ্গ ভক্ষণকারী পাখিগুলোর কাছে খুবই সুস্বাদু খাবার হচ্ছে প্রজাপতিসহ বিভিন্ন ধরনের পতঙ্গ। আর এ ধরনের শিকারীদের মোকাবেলায় ওই ‘প্রাকৃতিক প্রযুক্তি’ ব্যবহার করে প্রজাপতি। বিষয়টি নিয়ে তিন দশক ধরে গবেষণা করছেন কানাডার কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জেন ইয়াক। নিজের বাসা থেকে প্রায় ১০ মিটার দূরে একটি গাছের সাথে সুতা দিয়ে একটি প্রজাপতিকে বেঁধে রাখেন তিনি। সুতাটি তিনি বেঁধেছিলেন প্রজাপতিটির ঠিক পেটের সাথে এবং এটিকে এমনভাবে রেখেছিলেন যেন যেকোনো প্রজাপতি ভক্ষণকারী পাখি সেটিকে সহজেই দেখতে পায়।

প্রকাশিত : রবিবার ৯ই অক্টোবর ২০১৬ ভোর ০৪:৫৪:২৪