রেড কার্পেট বা লালগালিচা, নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাষ্ট্রীয় অতিথিকে স্বাগত জানানোর কোনো দৃশ্য কিংবা অস্কার-গ্র্যামি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের ছবি। শুরু থেকেই অবশ্য এই লালগালিচা সম্রাট কিংবা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পায়ের ধুলোকেই সঙ্গী করে চলেছে। প্রাচীন গ্রিসের ইস্কিলুসের ট্র্যাজেডিতে এই লালগালিচার উল্লেখ পাওয়া যায়। যখন গ্রিসের সম্রাট আগামেমনন ট্রোজান যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে দেশে ফিরে আসেন, তখন সম্রাজ্ঞীর নির্দেশে তাকে স্বাগত জানাতে লালগালিচা বিছানো হয়েছিল। অর্থাৎ খ্রিষ্টের জন্মেরও ৫০০ বছর আগে রাজকীয় সংবর্ধনায় লালগালিচা ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা পাওয়া যায়।

প্রকাশিত : রবিবার ১৩ই নভেম্বর ২০১৬ রাত ০৮:৫২:৪২

প্রতিদিন স্কুলের শিক্ষকরা মাথা হেঁট করে আশীর্বাদ চেয়ে নেন ছয় বছরের এই বালকের কাছে। শাসন করা তো দূর অস্ত, ঈশ্বরের স্থানে বসিয়ে রীতিমতো পুজো করেন তারা। যাতে সংসারে কোনো অভিশাপ নেমে না আসে। আর সেই বালক এক গাল হেসে, দু-হাত তুলে আশীর্বাদ দেয়। যেমনটি আমরা মন্দিরে গিয়ে অভ্যেস মতো করে থাকি। অবাক হলেও এটাই সত্যি। ভারতের পঞ্জাব রাজ্যের জালন্ধরে ছয় বছরের এই বালককে গণেশের অবতার বলেই বিশ্বাস করেন সেই গ্রামের মানুষ। এমনকী তার সহপাঠীরাও তাকে বিশেষ বিরক্ত করে না। যদি রেগে গিয়ে ভ্যানিশ করে দেয়! গণেশ ঠাকুর বলে কথা! এক নজরে দেখে নেওয়া যাক জালন্ধর গ্রামের সেই গণেশ কী লীলা চালাচ্ছে।

প্রকাশিত : শনিবার ১২ই নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৬:১২:১২

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে বাথরুমে এক তরুণীর পোশাক বদলের দৃশ্য। অনলাইন পোস্ট হতেই ভিডিওটিতে হিটের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখেরও বেশি। সব থেকে বড় ভাইরাল হতে চলেছে এই ভিডিওটি। এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘হটেস্ট বাথরুম এমএমএস এভার: মাইন্ড চেঞ্জিং ক্লাইম্যাক্স।’ ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে এক তরুণী বাথরুমে ঢুকলেন। একে খুলে ফেললেন তার টপ ও হট প্যান্ট। তার পরেই তার চোখ ক্যামেরায়। তিনি বুঝে গিয়েছেল বাথরুমে গোপন ক্যামেরা লাগান। না, ভয়ে চিৎকার করে বাথরুম থেকে বেড়িয়ে যাননি তিনি। বরং সাধারণ মানুষের উদ্দশ্যে তুলে ধরেলেন অসাধারণ মেসেজ। এমন কিছু তিনি বললেন যা বর্তমানে ইন্টারনেট বিশ্বে ভাইরাল।

প্রকাশিত : শুক্রবার ৪ঠা নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:৩৯:২৭

ছবি অনেক কথা বলে। ছবিই হয়ে ওঠে আমাদের জীবনের স্মৃতির আয়না। আমাদের জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো তাই আমরা ধরে রাখতে চাই ফ্রেমবন্দি করে। কিন্তু এমন অনেক মুহূর্ত আছে যা আমাদের নজর এড়িয়ে প্রতি নিয়ত ঘটে চলেছে। যে মুহূর্তগুলি সৃষ্টির পেছনে মানুষের তেমন হাত নেই। সেগুলি নিজের খেয়ালেই তৈরি হয় আবার হারিয়েও যায়। এই মুহুর্তগুলি ক্যামেরা বন্দি করতে পারলে নিজেদের ‘ভাগ্যবান’ মনে করেন বিশ্বের সেরা চিত্রগ্রাহকরা। এমনই কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় নিজ গুণে। এ বার দেখে নেয়া যাক এ সপ্তাহের সেরা ১০টি তেমন ছবি যা ক্যামেরা বন্দি করতে পেরে মুগ্ধ হয়েছেন চিত্রগ্রাহক থেকে অসংখ্য আম-দর্শক।

প্রকাশিত : শুক্রবার ৪ঠা নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৬:০০:২৯

পারিবারিক কারণে বেশ অর্থকষ্টেই ছিলেন ওই নারী। ফ্লাট কেনা তার পক্ষে ছিল দুঃসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু অভিনব এক উপায় খুঁজে বের করেন তিনি। তা হলো- উপহার হিসেবে প্রেমিকদের কাছ থেকে আইফোন নেওয়া এবং তা বিক্রি করা। তিনি যে একসঙ্গে ২০টি ফোন বিক্রি করেছিলেন তাও নিশ্চিত করা গেছে। যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তিনি বিক্রি করেছিলেন সেখানে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, সত্যিই এক নারী একসঙ্গে এতগুলো আইফোন-৭ বিক্রি করেছিলেন। সেই সহকর্মী জানান, তার তথাকথিত প্রেমিকদের থেকে ফোনগুলো পেয়েছিলেন ওই নারী। বলা ভাল, প্রেমিকদের এই উপহার দিতে তিনি বাধ্যই করেছিলেন। পরে এই টাকায় নাকি তিনি ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট করেন।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ৩রা নভেম্বর ২০১৬ রাত ১২:৫৬:২৫

আমেরিকার শপিং মলগুলোতে এখন ডোনাল্ড ট্রাম্প আর হিলারির ক্লিনটনের ছবি সংবলিত টি-শার্ট বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। কোনো কোনো টি-শার্টে আছে দুই প্রার্থীরই ছবি। কিছু কিছু টি-শার্ট বেশ মজার। ট্রাম্পের কান টেনে ধরে আছেন হিলারি।ট্রাম্পও টেনে ধরেছেন হিলারির সোনালি চুলের মুঠি। শুধু টি-শার্টই নয়, ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলো ছেয়ে গিয়েছে নতুন ধরনের কলম, বটল ওপেনার, এয়ার পিলো, ব্যাজ থেকে শুরু করে, পুলওভার, উইন্ডচিটার এমনকি হাওয়াই চপ্পলে। সব পণ্যেই নির্বাচনী জ্বর।বটল ওপেনারটায় ট্রাম্পের হাঁ করা মুখ।কলমে হিলারির ছবি।ছোট ছোট ব্যাজে ট্রাম্প, ক্লিনটনের নির্বাচনী স্লোগান।তবে হিলারির ছবি সংবলিত পণ্যই নাকি বিক্রি হচ্ছে বেশি। বিক্রেতারা জানান, হিলারি জিততে যাচ্ছেন। তাই তিনিই বেশি জনপ্রিয়।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ৩রা নভেম্বর ২০১৬ রাত ১২:৪২:০০

টোকিও মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ৩০ বছর বয়সী এক নারী সার্ভিক্সে (গর্ভাশয়ের সঙ্কীর্ণ অংশ) অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসকরা লেজার রশ্মির সাহায্যে তার অপারেশন করবেন বলে স্থির করেন। নির্দিষ্ট দিনে রোগীকে অপারেশন টেবিলে নিয়ে আসা হয়। শুরু হয় প্রস্তুতি। কিন্তু হঠাৎ ঘটে দুর্ঘটনা। আগুন লেগে যায় অপারেশন টেবিলেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ে ডাক্তারদের পোশাকেও। ডাক্তার, নার্সরা তখন নিজেদের বাঁচাবেন না রোগীকে বাঁচাবেন- এ নিয়ে পড়েন দোটানায়। যদিও কিছুক্ষণ পরেই আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কিন্তু ততক্ষণে রোগীর শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে যায়। এরপরই তদন্তের নির্দেশ দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। খবরে প্রকাশ তদন্তকারী দল গত শনিবার রিপোর্ট জমা দিয়েছে। তাতে বলা হয়, ভদ্রমহিলার নিষ্কৃত বায়ু থেকেই আগুন লেগেছিল অপারেশন থিয়েটারে। অন্য কোনো দাহ্যবস্তু সেখানে ছিল না। যাবতীয় যন্ত্রপাতিও ঠিকঠাক কাজ করছিল। অপারেশন রুমে বায়ু ছড়িয়ে পড়লে তা লেজারের সংস্পর্শে আসে। সেখান থেকেই এই আগুনের সুত্রপাত।

প্রকাশিত : বুধবার ২রা নভেম্বর ২০১৬ রাত ১০:৩১:৩৩

গৃহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়টা বেশ ভালোই চলছিল। গৃহকর্তা ভেবেছিলেন স্ত্রীর অগোচরে এই পরকীয়ায় কোনও সাক্ষী নেই। কিন্তু ঘরের শত্রু যে বিভীষণ আছে তা তিনি জানতেন না। আর সেই বিভীষণ যে এমন আকারে থাকতে পারে তাও তার বোধগম্যের বাইরে ছিল। সকালে নাশতার টেবিলে স্বামী-স্ত্রী বসেছিলেন। আচমকাই খাঁচাবন্দি টিয়া এমন কথা বলতে শুরু করে তা শুনে স্ত্রীর চক্ষু চড়কগাছ। কারণ, টিয়া পাখিটি যা বলছিল তা এক পুরুষ এবং নারীর মধ্যে চলা কথোপকথন। এই কথোপকথন প্রবল যৌনতায় ভরা ছিল যা টিয়া পাখিটি হুবুহু নকল করে বলছিল। কথোপকথনটির মধ্যে থাকা নারীটি যে বাড়ির কাজের মেয়ে তাও বলছিল টিয়া পাখিটি।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ২৭শে অক্টোবর ২০১৬ সকাল ১১:২৩:২২

ওজন দেখে চোখ কপালে উঠে যাওয়ার জোগাড়। ওজনের জন্য হাঁটতে চলতেও পারেন না তিনি। চিকিৎসকরা বলছেন, তার এই চেহারার জন্য দায়ি এলিফ্যান্টিয়াসিস রোগ। বয়স মাত্র ৩৬ বছর। নাম ইমান আহমেদ আবদুলাতি। তার ওজন সাড়ে ১২ মণ। বাড়ি মিশরের আলেজ়ান্দ্রিয়ায়। ওজন ও চেহারার জন্য হাঁটা-চলা তো দূরের কথা, ২৫ বছর ধরে বিছানাই ঠিকানা আহমেদ আবদুলাতির। বিছানার মধ্যেই খাওয়া, প্রাতঃকাজ সব কিছুই করেন তিনি। খাওয়ানো, স্নান করানো থেকে প্রাত্যহিক কাজগুলিতে তাকে সাহায্য করেন মা ও বোন। জানা গেছে, জন্মানোর সময় থেকে মোটা ইমান। জন্মানোর সময় পাঁচ কেজি ওজন ছিল তার। জন্ম থেকেই এলিফ্যান্টিয়াসিস রোগে আক্রান্ত ইমান। এলিফ্যান্টিয়াসিস হল এমন একটা ইনফেকশন, যার ফলে হাত ও পা ফুলে যেতে শুরু করে। এই রোগের ফলে ধীরে ধীরে ফুলে যায় সারা শরীর। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই রোগের ফলে শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি ফুলে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত পানি জমা হতে থাকে শরীরের মধ্যে।

প্রকাশিত : সোমবার ২৪শে অক্টোবর ২০১৬ বিকাল ০৫:০৪:১৩

‘আমি কানাডার প্রধানমন্ত্রী হতে চাই’। এ কথা শুনে আয়োজকদের চোখ কপালে ওঠার যোগাড়। এভাবে আস্তে আস্তে ছেলেটির এই ইচ্ছার কথা পৌঁছে যায় খোদ প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কানে। প্রধানমন্ত্রী এই ছেলেটির ইচ্ছা পূরণে এগিয়ে আসেন। সুযোগ করে দেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার। প্রধানমন্ত্রী দফতরে পৌঁছানোর পর ছেলেটিকে সম্ভাষণ জানাতে এগিয়ে আসেন ট্রুডো। শুধু কি তাই? ট্রুডো বলেন, তুমি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে চাও তাই না? তোমার সময় কিন্তু শুরু। এরপর লাখানপালের সঙ্গে দেখা করতে আসেন কানাডার গভর্নর জেনারেল ডেভিড জনসন। ছেলেটির সঙ্গে দেখা করার পর তিনি টুইটও করেন। তাতে লেখেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী পিজের সঙ্গে দেখা করে আমি খুশি হয়েছি। তিনিই আমাদের জাতির পরবর্তী নেতা।

প্রকাশিত : বুধবার ১৯শে অক্টোবর ২০১৬ রাত ০১:৩৫:১৪