গুজবের গতি বাতাসের থেকেও বেশি। তবে এগুলো এখন আর বাতাসে ঘোরে না। ঘুরে বেড়ায় আপনার আমার ফেসবুক পেজে। ফেসবুক খুললেই নিউজ ফিডে হাজারো টোটকা, চেনা-অচেনা দাওয়াইয়ের ভিড়। কখনও ত্বকের যত্নের চটজলদি টোটকা, তো কখনও কোনো স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশিকা। আর এরই মাঝে রয়েছে কোনো বিভিন্ন ‘তথ্যপ্রমাণ’ দিয়ে সাজানো খবর। গোটা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ। এই সব খবর আসলে কতটা সত্যি? কতটাই বা ভুয়া। তা জানেন না অধিকাংশ ফেসবুক ইউজার। তা সত্ত্বেও মন দিয়ে পড়ে গুছিয়ে লাইক বাটনে ক্লিক করে দেন তারা। ফলে ওই খবরটি ফিরে ফিরে আসে ফেসবুক ফ্রেন্ডদের নিউজ ফিডে। এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বেঁচে’ থাকে ওই তথ্যগুলো। এক ঝলকে দেখে নেয়া যাক সেগুলো কি কি-

প্রকাশিত : সোমবার ২১শে নভেম্বর ২০১৬ রাত ০৯:৫৫:১৩

খোলা বাতাস কয়েদি ও কারাগারের কর্মীদের দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনে। বন্দিরা একা পাঠাগার, ক্লিনিক বা ক্যানটিনে যেতে পারেন। এই স্বাধীনতা কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করে। এক দশক আগেও বন্দির সংখ্যার দিকে ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি ছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু এখন সেটা সর্বনিম্ন বলে দাবি করা হয়। প্রতি এক লাখে ৫৭ জন সেখানে বন্দি রয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সেখানে প্রতি লাখে ১৪৮ জন বন্দি। ২০০৫ সালে নেদারল্যান্ডসে ১৪ হাজার ৪৬৮ জন বন্দি ছিল। এখন তা আট হাজার জনে নেমে এসেছে, যা আগের চেয়ে ৪৩ শতাংশ কম।

প্রকাশিত : রবিবার ২০শে নভেম্বর ২০১৬ সকাল ১০:২৪:২০

বাড়ি অত্যাধিক অন্ধকার থাকায় ধর্ষককে চিনতে পারেননি। কিন্তু, তিনি একটি স্বপ্ন দেখেছেন। সেই স্বপ্নে তিনি দেখেছেন মোজ়েস তাকে ধর্ষণ করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মোজ়েসকে গ্রেফতার করা হয়। বিচারে ৪৮ বছর জেল দেয়া হয় তাকে। দেখতে দেখতে কেটে যায় ২৪ বছর। ২০১২ সালে জ্যাকসন নামে এক বন্ধুর কাছ থেকে একটি চিঠি পান মোজেস। সেই চিঠিতে জ্যাকসন ওই তরুণীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। ওই তিন প্রতিবেশী যাদের সঙ্গে যুবতি মদ্যপান করতে গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন হলেন এল সি জ্যাকসন। জ্যাকসন আবার মোজ়েসের বন্ধু। এই চিঠি হাতে পেয়ে আলোর দিশা খুঁজে পান মোজেস। চিঠির ভিত্তিতে ফের আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। বিচারকের কাছে তুলে দেন ওই চিঠির প্রতিলিপি। এবং সেই সঙ্গে DNA টেস্টও করা হয় তার।

প্রকাশিত : শনিবার ১৯শে নভেম্বর ২০১৬ রাত ০৮:১৭:৩০

মানুষ ঠকিয়ে চমক তৈরি করাই ছিল তার নেশা। এ খেলায় চিরশ্রেষ্ঠ বলেই তাকে মেনে নেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিদের সই জাল করতে ওস্তাদ ছিলেন নটবরলাল৷ এই ভয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকতেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতিরা। কে জানে কখন কার সই জাল করে কি করে বসেন। অন্তত ১০০টি চিটিং কেস ও জোচ্চুরির মামলায় নটবরলালের পিছনে আঠার মতো লেগেছিল ৮টি রাজ্যের পুলিশ বাহিনী। বিভিন্ন মামলায় সব মিলিয়ে তার সাজা হয় ১১৩ বছর। এরপরও কোন কিছুর পরোয়া করতেন না নটবরলাল। ৯ বার ধরা পড়েও প্রতিবারই জেল ভেঙ্গে পালিয়েছেন। জেল ভাঙ্গা যেন তার কাছে কোনও ব্যাপারই ছিল না। সব মিলিয়ে তিনি মোট ২০ বছর জেল খেটেছেন।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১৭ই নভেম্বর ২০১৬ দুপুর ০২:০২:২৯