প্রচণ্ড ভয়ের কারণ হলেও কিছুটা স্বস্তির হল সলোমন দ্বীপপুঞ্জের এই দ্বীপগুলিতে ‌কোনো জনবসতি ছিল না। স্থানীয় জেলেরা মাছ ধরতে ‌যেতেন সেখানে। কিন্তু জনবসতি রয়েছে এমন ৬টি দ্বীপেরও আংশিক চলে গিয়েছে পানির তলায়। অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রকাশিত ‘এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ লেটারস’ নামে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪৭ সাল থেকে ২০১৪ প‌র্যন্ত সংগৃহিত তথ্যের ভিত্তিতে এই রিপোর্ট জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাতে জানা গেছে, গত দুইদশক ধরে প্রতি বছর ১০ মিলিমিটার করে বেড়েছে সমুদ্রের জলস্তর। গত প্রায় ৭০ বছর ধরে ক্রমশ ভাঙছে সলোমান দ্বীপপুঞ্জের দ্বীপগুলির সৈকত। ‌যে পাঁচটি দ্বীপ তলিয়ে গিয়েছে তাদের মোট আয়তন ছিল ১২ একর।

প্রকাশিত : সোমবার ১০ই অক্টোবর ২০১৬ দুপুর ০১:২৯:১৬

দেশটির পরিবেশ মন্ত্রনালয় সূত্রে খবর, দিন কয়েক আগে বিহার সরকারের আর্জি মেনেই সেখানে নীলগাই হত্যার অনুমতি দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় দেশের প্রতিটি রাজ্যকে এই মর্মে জানানো হয়েছে যে সেখানে পরিবেশের স্বার্থে কোনো কোনো প্রাণীর হত্যা প্রয়োজন তা যে কেন্দ্রকে জানানো হয়। এরপরই পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মানেকা গান্ধী। মন্ত্রনালয়ের কাছে তিনি জানতে চেয়েছেন, কোন আইনের বলে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে? যদিও প্রকাশ জাভরেকরের সাফাই, পরিবেশ বাঁচাতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের আর্জির নিরিখেই এই সিদ্ধান্ত বলেও তিনি জানিয়েছেন।

প্রকাশিত : সোমবার ১০ই অক্টোবর ২০১৬ দুপুর ০১:২৬:২৯

মেক্সিকান বারোয়িং টোড অথবা ডারউইন্স ফ্রগ৷ ছোট্ট কিন্তু ভারি রঙচঙে একটি ব্যাঙ৷ খুবই দুষ্প্রাপ্য, খুবই বিরল৷ সেই ব্যাঙের খোঁজে যেতে হবে চিলির কনসেপসিওনে, উইলো-উইলো রিজার্ভে৷ কনসেপসিওন থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে এখনও মেক্সিকান বারোইং টোড নামের একটি রঙচঙে ব্যাঙ দেখতে পাওয়া যায়৷ উইলো-উইলো রিজার্ভ হলো একটি হোটেল রিসর্ট; এদের লক্ষ্য হলো পরিবেশবান্ধব পর্যটন৷ সংরক্ষিত এলাকাটি আয়তনে প্রায় ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার৷ এখানকার প্রধান জীববিজ্ঞানী হলেন ভেরোনিকা তোলেদো৷ আজ তিনি বারোয়িং টোড-দের খোঁজ করছেন৷ উইলো-উইলো রিজার্ভের জীববিজ্ঞানী ভেরোনিকা তোলেদো বলেন, ‘‘আমি এই ব্যাঙ খুব ভালোবাসি৷ প্রথমবার দেখেই এই বারোয়িং টোডের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম৷ আমি যে তাকে সাহায্য করতে পারি, বিলুপ্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারি, এটা ভেবেই আমার ভালো লেগেছিল

প্রকাশিত : সোমবার ১০ই অক্টোবর ২০১৬ দুপুর ০১:২৪:১১

নদীর পাড়, পাহাড়, বনাঞ্চলগুলো ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা দখল করে নেয়। তারা পরিবেশের চিন্তা না করে নিজেদের মুনাফার কথা চিন্তা করে। এসব কারণে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে।” সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৬ উপলক্ষে ‘রোয়ানু দুর্যোগ: প্রাণি ও মানুষের ওপর প্রভাব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বাপা, টিআইবি, নাগরিক উদ্যোগ, বারসিক উন্নয়ন ধারা (ঝিনাইদহ), সিডিপি ও গ্রিন ভয়েস। সৈযদ আবুল মকসুদ বলেন, “শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে আলোচনা করলে পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকানো যাবে না। উন্নয়নের কথা বলেও পরিবেশ বিপর্যয় করা চলবে না। আমরাও দেশের উন্নয়ন চাই, তাই বলে পরিবেশকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি না।

প্রকাশিত : সোমবার ১০ই অক্টোবর ২০১৬ দুপুর ০১:২১:৫১