শান্ত প্রকৃতির বানর হঠাৎ এতো হিংস্র হয়ে গেল কেন?- এমন প্রশ্নের উত্তরে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ভূমি সন্তান বাংলাদেশের’ সমন্বয়ক আশরাফুল কবির ব্রেকিংনিউজকে বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে বনায়ন ধ্বংস করে নগরায়ন করা হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে প্রাণীকুলে। বিশেষত, এসব বানর তাদের থাকার আশ্রয়স্থল হারিয়ে ফেলছে। তাছাড়া খাদ্যের সংকুলান না থাকায় তারা লোকালয়ে প্রবেশ করছে এবং ক্ষুধার যন্ত্রনা থেকে তাদের মধ্যে হিংস্রতার প্রবণতা বাড়ছে।' পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবি সমিতির (বেলা) এর মতামত হচ্ছে, ‘বনায়ন ধ্বংস করলে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য হয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অনেক কারণে মানুষের ক্ষতি হবে। প্রাণীকুলে আবাসস্থলের সংকট দেখা দিবে। আবার সেই প্রাণীদের দ্বারা মানুষের ক্ষতি সাধিত হবার সম্ভাবনা দেখা দিবে।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১লা ডিসেম্বর ২০১৬ বিকাল ০৩:৩৬:৫২

সেতুবন্ধন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলমগীর হোসেন জানান, বর্তমান সময়ে প্রায় ৪৩৫ প্রজাতির পাখি আমাদের দেশে বিচরণ করছে। আমরা ২০১২ সাল হতে সৈয়দপুর, নীলফামারী, রাজশাহীব্যাপী পাখি রক্ষায় এ কর্মসূচি চালিয়ে আসছি। আমরা ভবিষ্যতে নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুঁরগাও,পঞ্চগড়, রাজশাহীর পুরো এলাকা জুড়ে পাখির নিরাপদ বাসস্থল তৈরিতে এ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছেন। উল্লেখ্য, নীলফামারীর সৈয়দপুরের "সেতুবন্ধন" নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির এক ঝাক তরুণ পাখি রক্ষায় নীলফামারী, রাজশাহী, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছে-গাছে শত শত কলসি বেঁধে দিয়ে পাখির নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিতে কাজ করে

প্রকাশিত : বুধবার ২৩শে নভেম্বর ২০১৬ রাত ০৮:১৩:৩৪

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সঠিক এবং কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করবেন, মনোযোগ দিয়ে শুনবেন আর এর গুরুত্ব অনুধাবনের চেষ্টা করবেন। আমি এ ব্যাপারে আশাবাদী।’ মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) মরক্কোতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বান কি মুন এ বক্তব্য প্রদান করেন। এই শতাব্দীর মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে না দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে সম্মেলনে যোগ দেয়া বিশ্বনেতাদের মধ্যে বান কি মুনের এ মন্তব্য যেন আরবের মরুভূমিতে এক পশলা বৃষ্টির অনুভূতি নিয়ে এসেছে।

প্রকাশিত : বুধবার ১৬ই নভেম্বর ২০১৬ ভোর ০৪:০২:৩৯

ছয় ঋতুর এদেশে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন হচ্ছে প্রকৃতি। এখন শীতকাল। আর এ ঋতুতে বিভিন্ন দেশ থেকে এদেশে আসে হাজারো রকমের পাখি। আর এখানে এসে কাটিয়ে যায় পুরো শীতকাল। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাখির সংখ্যাও বাড়তে থাকে। হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এসব পাখি আসে বিভিন্ন শীত প্রধান অঞ্চল থেকে। এ গ্রামে সারা বছরই থাকে হরেক রকম পাখি। যেমন, বক, রাতচোরা, মাছরাঙা, পানকৌড়ি, ঘুঘু, শামুকখোলসহ নানা প্রজাতির পাখি। এখন এদের সঙ্গে এখন যোগ দিচ্ছে, বাটন, গুলিন্দা, জৌরালি, গাঙচিল, পানচিল, জিরিয়াসহ রঙ বেরঙের হাঁসসহ বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি।

প্রকাশিত : সোমবার ১৪ই নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৬:০৫:৪৭