৫ বৎসর যাবত আমি নিজেই ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত ছিলাম। এজন্য দেশের অনেক নামী-দামী ডাক্তারের চিকিৎসা নিয়েছি। কিন্তু ডায়াবেটিস নির্মূল করতে পারিনি। ডাক্তারী ওষুধ খেয়ে মাত্রা কিছুটা কমলেও ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলেই তা আবার বেড়ে যায়। তখন আমি নিজেই বিভিন্ন গাছের লতা পাতা ও পাতার রস খাওয়া শুরু করি। এটা খেতে খেতে এক যাদুকরি গাছের সন্ধান পেয়েছি। মাত্র ১৫ দিন একটানা সেই গাছের পাতার রস খেয়ে পরীক্ষাগারে গিয়ে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে বুঝতে পারলাম আমার ডায়াবেটিস ১৯ পয়েন্ট হতে ৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে। পরবর্তিতে আমি ডাক্তারী ওষুধ খাওয়া একবারেই ছেড়ে দেই। বর্তমানে আমার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে। আমি সুস্থ্য হওয়ার পর হতে কয়েক জন ডায়াবেটিস রোগীকে সেই গাছের পাতার রস দিয়েছি। এবং তারা সেই পাতার রস খেয়ে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়েছে।

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ২২শে নভেম্বর ২০১৬ রাত ১২:৩৬:২১

কেউ একজন খাবার খেলেন। খাবার থেকে তার শরীরে চলে গেল জীবাণু। তারপর তিনি ATM-এ গেলেন টাকা তুলতে। তার হাতের জীবাণু চলে গেল ATM কি প্যাডে। তারপর সেখানে আগে থেকেই যে সব জীবাণুরা ছিল, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাল। পরে অন্যকোনও গ্রাহক যখন ATM-এ টাকা তুলতে গেলেন, তখন চলে গেল তার শরীরে। এই ধরনের জীবাণুর পাশাপাশি আরও দু’ধরনের পরজীবীর অস্তিত্ব টের পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এক, যে পরজীবী মানুষ এবং অন্য স্তন্যপায়ীদের খাদ্যতন্ত্রের নিম্নাংশে পাওয়া যায় তা মিলছে ATM কি প্যাডে। দুই, ট্রাইকোমোনাস ভ্যাজিনালিস ( যৌনরোগ সংক্রমণ ঘটায় এই পরজীবী) গোত্রের আরেক পরজীবী।

প্রকাশিত : শনিবার ১৯শে নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৫:১৩

‘স্বাস্থ্যখাতের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেয়া উচিত। জনগণ যেন উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা পায় তা নিশ্চিত করতে হলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার মান বাড়ানোর দিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।’ যথাসময়ে স্বচ্ছতার সাথে স্বাস্থ্যখাতের সকল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্যও সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময় স্বাস্থ্যখাতে যে সাফল্য এসেছে তাকে আরও ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে হবে। একটি জনগণবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে এই খাতের কোনো অংশে অনিয়ম ও গাফিলতি মেনে নেয়া যাবে না।’

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১৭ই নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৬:৩৭:৪৬

ভেষজগুণ সমৃদ্ধ খাবার পিরিয়ডের সময় এগিয়ে আনতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয় যেগুলো ‘পিরিয়ড’ আগে হতে সাহায্য করে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, এই ধরনের খাবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে গর্ভপাতের কারণও হতে পারে। তাই বিবাহিতদের ক্ষেত্রে যদি পিরিয়ডের সময় পার হয়ে যায় তাহলে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। নিশ্চিত হন আপনি সন্তান ধারণ করেছেন কিনা। নতুবা এই খাবারের কারণে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। পার্সলে: পার্সলেতে রয়েছে অ্যাপিওল এবং মাইরিসটিসিন যা মাসিক চক্রকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। দিল্লির ফোর্টিস লা ফাম হাসপাতালের পুষ্টিবিদ ডা. লোভনিত বাত্রা বলেন, “পার্সলেতে থাকা উপাদানগুলো দ্রুত ইউট্রাস গঠনে সাহায্য করে। ফলে মাসিক চক্র প্রভাবিত হয়।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১৭ই নভেম্বর ২০১৬ ভোর ০৪:১২:৩৫

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ১৫ই নভেম্বর ২০১৬ ভোর ০৫:২৪:৪৪

‘সিগারেট স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিক’– সিগারেট প্যাকেটে কিংবা বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত বাক্যগুলি যেন নেহাতই আইন রক্ষার্থে লেখা। সিগারেট স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, সেটা প্রায় সকলেই জানি। তবুও আমরা লক্ষ করি, সিগারেট খাওয়ার ধুম ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কিশোর, যুবক, মধ্যবয়স্করা তো রয়েছেনই, বয়স্করাও সিগারেটের নেশামুক্ত হতে পারছেন না। সেজন্য নানারকমের ব্যাধি তাদের গ্রাস করছে। ইদানিং মেয়েদের ধুমপান করার ব্যপারটাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হয়তো ক্ষণিকের তৃপ্তি বা স্বস্তি তারা পেয়ে থাকেন, কিন্তু একই সঙ্গে তারা ধীরে ধীরে সিগারেটে আসক্ত হয়ে পড়েন এবং এই নেশা কাটিয়ে বেরিয়ে আসা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে৷

প্রকাশিত : শনিবার ১২ই নভেম্বর ২০১৬ ভোর ০৪:৩৭:২৭

পেয়ারার স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন, কিন্তু পেয়ারা পাতার উপকারিতা কী তা জানলে সত্যি অবাক হতে হয়। শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই নানারকম সমস্যা প্রতিরোধে পেয়ারা পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এবেলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পেয়ারা পাতার উপকারিতা কী কী। * চুলপড়া ঠেকাতে পেয়ারা পাতা বেশ কার্যকরী বলে একদল বিজ্ঞানী মত দিয়েছেন। চুলপরা রোধে পেয়ারা পাতার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকরী এবং প্রাকৃতিক উপায় বলে বর্ণনা করেছেন তারা। * ওজন কমাতে পেয়ারা পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের মধ্যেকার কমপ্লেক্স স্টার্চকে সুগারে পরিণত করতে সাহায্য করে।

প্রকাশিত : শুক্রবার ৪ঠা নভেম্বর ২০১৬ রাত ০৮:১২:১৩

সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, ২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্যানসার প্রত্যেক বছর ৫.৫ মিলিয়ন মহিলার প্রাণ কেড়ে নেবে। বিশেষ করে স্তন ক্যানসার। রিপোর্টে এমন দেখা গিয়েছে যে, এখনই সারা বিশ্বে প্রত্যেক ৭ জন মহিলার মধ্যে ১ জন মহিলা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। হৃদরোগের পর ক্যানসার মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ। কিন্তু ক্যানসারের সম্ভাবনা আপনি অনায়াসেই কমিয়ে ফেলতে পারেন। তবে, তার জন্য আপনাকে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। তাহলেই ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার থেকে নিজেকে কিছুটা হলেও বাঁচাতে পারবেন। জেনে নিন সেগুলি কী কী- ১) তামাকজাত দ্রব্য শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। তামাকজাত দ্রব্য থেকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই ক্যানসারের হাত থেকে মুক্তি পেতে তামাকজাত দ্রব্য না খাওয়াই উচিত। তামাকজাত দ্রব্য থেকে গলা, ফুসফুস, কিডনি, মূত্রথলি, যকৃত এবং শরীরের অন্যান্য অংশে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ৩রা নভেম্বর ২০১৬ রাত ১০:৫০:০৯

‘রান্নার সময় প্রচুর ধোঁয়া হয়, যাতে চোখে-মুখে ভীষণ জ্বালা করে৷ আমি তো এই ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টের রোগীতে পরিণত হয়েছি৷ এমনকি আমার সন্তানরাও শ্বাসকষ্টে ভুগছে৷’ ঘরে বায়ুদূষণের কারণে শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকার কারণ হলো তারা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের তুলনায় দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়৷ এছাড়া শিশুদের ফুসফুসের কোষের স্তর দূষিত কণায় অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ পাশাপাশি দ্রুত দূষিত কণা মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহের ঝিল্লি ভেদ করে৷ এতে শিশুর বুদ্ধির বিকাশে স্থায়ী ক্ষতিসাধিত হয়৷ এমনকি দূষিত বায়ুতে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ভ্রূণও ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷

প্রকাশিত : বুধবার ২রা নভেম্বর ২০১৬ দুপুর ০১:২৬:৩৬