ছাত্রলীগের সভাপতিও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ ইন্টার্নি হোস্টেল নিয়ন্ত্রণ করছে। এদের মধ্যে গত বছর যারা ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছেন তারা এখনো হোস্টেল ছেড়ে দেননি। ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের সেল্টারে এসব চিকিত্সকরা হোস্টেলে অবস্থান করছে। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের দাবি, এসব চিকিত্সকদের হোস্টেল ছেড়ে দিতে হবে। ইন্টার্নশিপের জন্য নতুন চিকিত্সকরা জানুয়ারি মাস থেকে হোস্টেলে ওঠার কথা। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে কলেজে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই জের ধরে পুলিশ আজ বিকালে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের চারনেতাকে আটক করে।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১২ই জানুয়ারী ২০১৭ সন্ধ্যা ০৬:৪৪:১৮