টেলিযোগাযোগ বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) সভাপতি হিসেবে সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ মেহেদী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বিডনিউজ২৪ ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক শামীম আহমেদ পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কমিটিতে সদস্যদের সর্বসম্মতিতে এ দু’জনসহ ২০১৬-২০১৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত সদস্যের কমিটিতে অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক ইত্তেফাকের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সমীর কুমার দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মানবজমিন পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কাজী সোহাগ মনোনিত হয়েছেন।

প্রকাশিত : রবিবার ১১ই ডিসেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর লাশ পুনরায় ময়নাতদন্ত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হয়েছে। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) ঢামেকের ফরেনসিক মেডিকেল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক ড. সোহেল মাহমুদ ব্রেকিংনিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দিয়াজের লাশ ঢামেকে আনা হয়েছে। লাশের কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় আজ ময়নাতদন্ত করা হয়নি। তবে আগামীকাল তিন সদস্যের বোর্ড বসিয়ে লাশটির ময়নাতদন্ত করা হবে। বর্তমানে লাশটি হিম ঘরে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রামে মরদেহ তোলার সময় হাটাহাজারী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানার ওসি, তদন্ত কর্মকর্তা ও আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) রেজাউল মাসুদ জানিয়েছিলেন, সকালে লাশ তোলার পর পুনঃময়নাতদন্তের জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

প্রকাশিত : শনিবার ১০ই ডিসেম্বর ২০১৬ বিকাল ০৫:৪৪:১৭

একমাস পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি টেলিভিশন যমুনা টিভির দুই সাংবাদিককে কেরোসিন ঢেলে হত্যাচেষ্টার ঘটনার মূল হোতারা এখনও গ্রেফতার হয়নি। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মামলার বাদিকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি এবং সমঝোতার প্রস্তাব দিচ্ছে আসামিরা। গত ৬ নভেম্বর চকবাজারের দেবীদাস ঘাট এলাকায় অবৈধ পলিথিন নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে হামলার শিকার হন যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার শাকিল হাসান এবং ক্যামেরাপারসন শাহীন আলম। শাকিলকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে হত্যাচেষ্টা করে কারখানা মালিক রহিম, জব্বার, জাকিরসহ অজ্ঞাত দশ-পনের জন। এ ঘটনায় কারখানার চারকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও মূল আসামিরা এখনো রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ৮ই ডিসেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:২৪:৩৪

এ হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর ১৭ জানুয়ারি অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন খুলনা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রনজিৎ কুমার দাস। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক কাজী আতাউর রহমান এবং সদর থানার ওসি মোশাররফ হোসেন ২০০৪ সালের ২০ জুন ১০ চরমপন্থিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, মিঠুন, সুমন ওরফে নুরুজ্জামান, মো. আকবর আলী শিকদার ওরফে শাওন, বুলবুল ওরফে বুলু, আকরাম ওরফে বোমারু আকরাম, সাত্তার ওরফে ডিসকো সাত্তার, সাকা ওরফে সাখাওয়াত, বেল্লাল, সরো ওরফে সরোয়ার ও শওকত হোসেন।

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ২৯শে নভেম্বর ২০১৬ রাত ১০:২০:০৪